ন্যায়ের উপর অবিচল অবস্থান: ঈমানের অপরিহার্য দাবি
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআনে কারীমে বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ بِالْقِسْطِ شُهَدَاءَ لِلَّهِ وَلَوْ عَلَىٰ أَنفُسِكُمْ أَوِ الْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ إِن يَكُنْ غَنِيًّا أَوْ فَقِيرًا فَاللَّهُ أَوْلَىٰ بِهِمَا فَلَا تَتَّبِعُوا الْهَوَىٰ أَن تَعْدِلُوا وَإِن تَلْوُوا أَوْ تُعْرِضُوا فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرًا
সরল অনুবাদ: ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা ন্যায়বিচারের উপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হও, আল্লাহর জন্য সাক্ষ্যদানকারী হও, যদিও তা তোমাদের নিজেদের বিরুদ্ধে হয় অথবা পিতামাতা কিংবা আত্মীয়স্বজনের বিরুদ্ধে হয়, সে ধনী হোক অথবা দরিদ্র। অতএব, আল্লাহ উভয়ের ব্যাপারে অধিক হক্বদার। তাই ন্যায়বিচার থেকে বিরত হওয়ার জন্য তোমরা খেয়ালখুশির অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা সত্যকে বাঁকাও অথবা মুখ ফিরিয়ে নাও, তাহলে নিঃসন্দেহে আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে সুপরিজ্ঞাত’ (আন-নিসা, ৪/১৩৫)।